Download General science bengali


☆ এই মুহূর্তে পৃথিবীর শক্তির বড়ো উৎস হল – তেল ।
☆ ভারতে সর্বাধিক কয়লা ব্যবহৃত হয় – তাপবিদ্যুত্ কেন্দ্রে ।
☆ শব্দ দূষণ পরিমাপক একক হল – ডেসিবেল ।
☆ যানবাহনের ধোঁয়া সৃষ্ট ক্ষতিকারক ধাতুজাতীয় দূষক পদার্থ হল – সিসা ।
☆ CFCএর পুরো নাম -ক্লোরো ফ্লুরো কার্বন
☆ মিনেমাটা রোগ সৃষ্টিকারী ধাতুটি হল – পারদ ।
☆ UV বিকিরণের দ্বারা ত্বকের ক্যান্সার হয় ।
☆ বিশ্ব পরিবেশ দিবস হল – 5ই জুন ।
☆ জৈব বিয়োজনক্ষম দূষণ সৃষ্টিকারী পদার্থটি হল – প্লাস্টিক ।
☆ তাজমহলের ক্ষতিকারক দূষণ পদার্থটি হল – সালফার ডাই অক্সাইড ।
☆ ভারতে সৃষ্ট মিথেনের মূল উৎস হল – ধান খেত ।
☆SO2 দূষন দ্বারা গাছের – ক্লোরোফিল বিনষ্ট হয় ।
☆ওজোনস্তর দেখা যায় – স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে ।
☆ওজোনস্তরের ক্ষয়ের জন্য দোষী প্রধান গ্যাসের নাম – CFC ।
☆ প্রধান গ্রিন হাউস গ্যাসের নাম – CO2 ।
☆ ইলেক্ট্রোস্ট্যাটিক প্রেসিপিটর যন্ত্র ব্যবহার হয় – বায়ুদূষণ রোধে ।
☆ইউট্রোফিকেশন বলে – জলে শৈবালের বৃদ্ধিকে ।
☆ বিশুদ্ধ জলে pH এর মান – 7 ।
☆জলাভূমিতে শৈবাল পচে যে বিষ নির্গত হয় তার নাম – স্ট্রিকনিন ।
☆মিনেমাটা বিপর্যয় ঘটে – জাপানে ।
☆শিম্বগোত্রীয় উদ্ভিদের মূলে রাইজোবিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়ার বসবাসরীতিকে বলা হয়- সিমবায়োসিস ।
☆ বাস্তুতন্ত্রের কোনো স্থানের সমগ্র উদ্ভিদের একসঙ্গে বলা হয়- ফ্লোরা।
☆প্রাণীগোষ্ঠীকে বলা হয়- ফনা।
☆ পশ্চিমবঙ্গে বাঘ্র প্রকল্প আছে- সুন্দরবনে।
☆ ইকোলজি কথার অর্থ- বাস্তুবিদ্যা।
☆বাস্তুতন্ত্রে শক্তির প্রবাহ সর্বদা- একমুখী ।
☆ “ইকোসিস্টেম”- শব্দটির প্রবর্তক- ট্যান্সলি।
☆ কোনো নির্দিষ্ট বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্গত জীবের পরিমান বা সর্বমোট সংখ্যাকে বলা হয়- বায়োমাস।
☆দশ শতাংশ সুত্রের প্রবক্তা- লিন্ডেম্যান।

General science bengali

☆জলে ভাসমান আণুবিক্ষনিক জীবদের বলা হয়- প্ল্যাংটন।
☆ উদ্ভিদের বলা হয়- ফাইটোপ্ল্যাংটন।
☆প্রানিদের বলা হয় – জু-প্ল্যাংটন ।
☆ফাইটোপ্ল্যাংটন হলো জলজ বাস্তুতন্ত্রের- উত্পাদক উপাদান ।
☆ যেসব প্রাণী জলে স্বাধীনভাবে সাতার কেটে বেড়ায় তাদের বলে- নেকটন।
☆নেকটনের উদাহরণ- মাছ ও তিমি।
☆ যেসব প্রাণী জলের নীচে বসবাস করেন তাদের বলা হয়- বেনথস।
☆ বেনথসের উদাহরণ- শামুক ও প্রবাল।
☆ পশ্চিমবঙ্গের একটি অভয়ারণ্যের নাম- জলদাপাড়া।
☆ভারতের দুটো লুপ্তপ্রায় প্রাণীর নাম- একশৃঙ্গ গন্ডার ও সিংহ ।
☆ভারতের দুটো বিলুপ্ত প্রাণীর নাম- গোলাপী মাথা হাস ও পাহাড়ি বটের।
☆ ফাইটোপ্ল্যাংটনের উদাহরণ- ক্ল্যামাইডোমেনাস ও ভলবক্স।
☆ জু-প্ল্যাংটনের উদাহরণ- মশার লার্ভা ও ডাফনিয়া।
☆ নাইট্রোজেন স্থিতিকারী ব্যাকটেরিয়া- রাইজোবিয়াম ও ক্লসট্রিডিয়াম।
☆ ডি- নাইট্রিফাইং ব্যাকটেরিয়া- সিউডোমেনাস ও থিওব্যাসিলাস।
☆ বাস্তুতন্ত্রের অন্তর্গত কোনো প্রজাতির জীবের অবস্থান ও তার ভুমিকাকে বলা হয়- ইকোলজিক্যাল নিচ্।
☆ খাদ্য পিরামিড- তিনপ্রকার।
☆ মিনামাটা রোগ কোন ধাতুর কারনে হয় ? : পারদ
☆ ফ্লুরোসিস রোগ কেন হয় ? : ফ্লোরাইড দুষন
☆ কালো ফুসফুস রোগ কাদের হয় ?: কয়লা কারখানার শ্রমিকদের ।
☆প্রধান গ্রীন হাউস গ্যাস কোনটি ? : কার্বন ডাইঅক্সাইড
☆ জৈব গ্রীন হাউস গ্যাস কোনটি ?: মিথেন
☆ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী আর্সেনিকের নিরাপদ মাত্রা কতো ?? : প্রতি লিটার জলে ০.০১ মিলিগ্রা

Click here to download General science bengali